যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেইঃ শেখ হাসিনা

বাংলারিপোর্ট: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই-এভাবেই যুদ্ধাপরাধ নিয়ে নিজের প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রা শুরুর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর বিশাল শোভাযাত্রা শুরু হয়। তবে এতে অংশ করেননি তিনি। এলিফ্যান্ট রোড-কলাবাগান হয়ে ধানমণ্ডি বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে গিয়ে শেষ হবে এই শোভাযাত্রা। ৭ মার্চ বুধবার বেলা সাড়ে ৩টায় সমাবেশ শুরু হলেও বিকাল পৌনে ৫টায় সমাবেশ মঞ্চে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির আন্দোলনের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হওয়ায় তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেল। আন্দোলনের ডাক কি যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য?” “যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে পারবেন না, এই বিচার বাংলার মাটিতে হবেই,” বলেন তিনি।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে এই সমাবেশ ও শোভাযাত্রা হলেও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “খালেদা জিয়া দেশের স্বাধীনতার প্রতি যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, তা প্রতিহত করতেই এই সমাবেশ।
এদিকে সমাবেশ উপলক্ষে জনসমাগম পশ্চিমে নিউ মার্কেট, পূর্বে পল্টন, উত্তরে কাকরাইল এবং দক্ষিণে বঙ্গবাজার ছাড়িয়ে যায়। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং রমনা পার্কেও অবস্থান নেন অনেকে। এই সমাবেশের কারণে প্রায় পুরো ঢাকা জুড়েই দেখা দিয়েছে যানজট।
|
যুক্তরাষ্ট্র এই বিশ্বের প্রধান সন্ত্রাসী শক্তি: আনু মুহাম্মদ
বাংলারিপোর্ট: তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব, বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের কথা বলে দেশি-বিদেশি গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে সরকার অর্থনীতি ও জনগণের উপর ভয়াবহ বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে।
৭ মার্চ তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি ফেনী জেলার উদ্যোগে ফেনী পাবলিক লাইব্রেরীতে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন। ফেনী জেলার আহবায়ক অ্যাড. ফায়জুল হক মিল্কির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা আবুল হাসান রুবেল, কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি খান আসাদুজ্জামান মাসুম, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা মহিন উদ্দিন চৌধুরী লিটন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা যুবরান আলী জুয়েল, তেল-গ্যাস কমিটির ডেমরা থানার নেতা মিজানুর রহমান প্রমুখ।
ফেনীতে জাতীয় কমিটির আলোচনা সভায় অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, বিদ্যুৎ সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এই সমস্যা সমাধানের কথা বলে দেশি-বিদেশি গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে সরকার অর্থনীতি ও জনগণের উপর ভয়াবহ বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে। কিন্তু বিদ্যুৎ সংকট সমাধান আজও সম্ভব হয়নি। বঙ্গোপসাগরে সম্পদ দখলের পর যুক্তরাষ্ট্র এখন সন্ত্রাস বিরোধীতা ও নিরাপত্তার নামে বাংলাদেশে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এই বিশ্বের প্রধান দখলদার সন্ত্রাসী শক্তি। জাতীয় কমিটির আন্দোলন তাই যেমন সার্বভৌমত্ব, জনগণের সম্পদ রক্ষার লড়াই, একই সংগে তেমনি সন্ত্রাসবিরোধী লড়াই।
নেতৃবৃন্দ আগামী ১৫ মার্চ ২০১২, বেলা ১১ থেকে ১২টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি সফল করার জন্য জনগণকে আহবান জানান।
মানবমুক্তির জন্য নারীমুক্তি অপরিহার্য: সিপিবি
বাংলারিপোর্ট: বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি সভাপতি মনজুরুল আহসান খান ও সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশের এবং সেই সাথে সারা দুনিয়ার নারী সমাজের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছেন।
নেতৃবৃন্দ আজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, মানুষের প্রকৃত অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক মুক্তির আন্দোলনের অপরিহার্য সংগ্রাম নারীমুক্তি আন্দোলন। সমাজের অর্ধেক নারী। এই অর্ধেক মানুষের পূর্ণ স্বাধীনতা ব্যতীত মানবমুক্তির সংগ্রাম সফল হবে না। ফলে সমাজপ্রগতি-সভ্যতার বিনির্মাণে অপরিহার্য অংশ হিসেবেই নারীমুক্তি আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে; আন্দোলনকে সফল করতে হবে। যুগে যুগে কমিউনিস্টরা মানব সভ্যতার কল্যাণ কামনায় নারীমুক্তির আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন, জীবন উৎসর্গ করেছেন। আন্তর্জাতিক স্তরে কিংবা এদেশের মাটিতে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস হলো সেইসব বিপ্লবী ইতিহাসের শ্রম ও ঘামের ফসল। সেই সাথে একথাও মনে রাখতে হবে যে, মানবমুক্তির সংগ্রামকে এগিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ব্যতীত অন্য কোনো পথে নারী মুক্তি অর্জনও সম্ভব নয়।
৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বিবৃতিতে আরো বলা হয়, এখনো সমাজের সকল স্তরে নারীরা নির্যাতনের শিকার। তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সামাজিক নিরাপত্তাহীন। বেতন বৈষম্যের শিকার, সামাজিক অবজ্ঞা তাদের প্রতি প্রবল। এর মধ্যেও নারীরা এগিয়ে আসছে। সমাজের বহুস্তরে তারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এবং প্রমাণ করছেন নিজেদের যোগ্যতা ও পরিপূর্ণতা।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, নারী সমাজকে স্বাবলম্বী করার জন্য আগে দরকার একটি পরিপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ নারী নীতিমালা। সমাজের পিছিয়ে পড়া এই অবহেলিত অংশ, কিন্তু সমাজ-পরিবার-রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে তার সামাজিক নিরাপত্তা অবিলম্বে দিতে হবে বলে সরকারের প্রতি আহবান জানান সিপিবি নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিতে ৮ মার্চ সারাদেশে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনসহ ৯ মার্চ শুক্রবার সিপিবি কেন্দ্রীয় নারী সেলের উদ্যোগে রাজধানীতে দিনভর প্রচার যাত্রা সফল করার জন্য নারী সমাজের প্রতি আহবান জানান।
বাংলারিপোর্ট/অরণ্য.
|
৯ মার্চ সিপিবি নারী সেলের দিনভর প্রচার যাত্রা
বাংলারিপোর্ট: আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আগামী ৯ মার্চ শুক্রবার দিনভর রাজধানীতে প্রচার যাত্রা করবে সিপিবি নারী সেল। সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হবে প্রচার যাত্রা। প্রেসক্লাবে উদ্বোধন শেষে পরিবেশিত হবে গণসংগীত। যাত্রা পথে সমাজের তৃণমূল নারী সমাজের কাছে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ইতিহাস তাৎপর্য তুলে ধরবেন সিপিবি নেতৃবৃন্দ। সঙ্গে ট্রাকে থাকবেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পীরা, তারা বিভিন্ন ধরনের গণসংগীত পরিবেশন করবেন।
প্রেসক্লাবে উদ্বোধন শেষে প্রচার যাত্রা যাবে শাহবাগে, সেখান থেকে ক্রমান্বয়ে নিউমার্কেট, মোহাম্মদপুর, মীরপুর গোলচক্কর, ফার্মগেট, শান্তিনগর মোড়, পল্টন মোড় হয়ে পার্টি কার্যালয়ে এসে সন্ধ্যায় প্রচার যাত্রা শেষ হবে।
দেশে বিদেশিরাও নিরাপত্তাহীন: খালেদা
বাংলারিপোর্ট: বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, দেশের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নেই। ঘরে-বাইরে কোথাও নিরাপত্তা নেই। এমনকি বিদেশিদেরও নিরাপত্তা নেই। তিনি সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনাটিকে নজির হিসেবে তুলে ধরেছেন।
ঢাকার সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা খালাফ আল আলী সোমবার রাতে গুলশানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন। মঙ্গলবার হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
বিএনপি চেয়ারপারসন মঙ্গলবার এক সভায় বলেন, আইনের শাসন বলে দেশে এখন কিছু নেই। সাংবাদিকরাও নিরাপদ নয়। তারাও খুন হচ্ছেন। কূটনীতিক কীভাবে হত্যা হয়েছে? সরকার বোবা, কানা, অন্ধ ও অপদার্থ। যারা বোবা, কানা ও অন্ধ হয়ে যায়, তাদের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই।
কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিটিউশন মিলনায়তনে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন খালেদা। গত ২২-২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা সভাপতিসহ ১৫টি পদে বিজয়ী হয়।
আইনজীবী নেতা লুৎফে আলমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন মওদুদ আহমদ, মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মাহবুব উদ্দিন খোকন, সানাউল্লাহ মিয়া, ঢাকা আইনজীবী সমিতির বিদায়ী সাধারণ সস্পাদক ইকবাল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন মিয়া প্রমুখ।
|
|
|
|
|
|
Page 1 of 4 |